না’গঞ্জে বিএনপির ২৪ নেতার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ১৬ নেতার নাম উলেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৮ জনকে আসামী করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় নাশকতা পরিকল্পনার অভিযোগে একটি মামলা করেছে পুলিশ।

মামলায়  মঙ্গলবার সকালে গ্রেফতার করা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদসহ গ্রেফতার ৪ জনকেও আসামী করা হয়।

বুধবার সকালে সদর মডেল থানার এসআই জয়নাল আবেদীন বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় পুলিশের অভিযোগ, গ্রেফতারকৃতরা মঙ্গলবার নাশকতার উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের পেছনে প্যারাডাইজ ক্যাবলস ভবনের সামনে জড়ো হয়েছিল।

খবর পেয়ে পুলিশ এলে বিএনপির নেতা কর্মীরা কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যাবার সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদ, জেলা ছাত্র দলের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, ছাত্রদল নেতা নাজমুল ও ইয়াছিনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২টি লাল স্কচটেপ মোড়ানো জর্দার ভাঙা কৌটা এবং ৪টি ইটের টুকরা জব্দ করে।

জিয়া চ্যারিটিবল ফান্ডের অর্থ আত্মসাতের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৭ বছর কারাদন্ডের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিলের আগ মুহূর্তে পুলিশ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছিল।

মামলায় ঘটনার পরিকল্পনাকারী, অর্থের জোগানদাতা ও নির্দেশ দাতা হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি অসুস্থ অ্যাডভোকেট আবুল কালামকে ১৬ নম্বর আসামী করা হয়েছে।

মামলার অপর আসামীরা হলেন, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, বিএনপি নেতা হাসান আহম্মদ, মহানগর যুবদলের সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসিকুল ইসলাম রাজীব, সাবেক ছাত্রদল নেতা মনিরুল ইসলাম সজল, যুবদল নেতা সরকার আলম, মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টি, অ্যাডভোকেট আনোয়ার প্রধান, ছাত্রদল নেতা রিয়াদ, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল কাউসার আশা।

এদিকে এ মামলাটি ভৌতিক বলে দাবি করেছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল দাবি করেন, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের পেছনে ককটেল বিস্টেম্ফারণের কোন ঘটনাই ঘটেনি।

এছাড়া নারায়ণগঞ্জে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুন মাহমুদকে আদালতপাড়ায় দেখতে গিয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন মহিলা দলের নেত্রীরা। ওই সময়ে একে অন্যকে মারধর ও অশ্লীল বাক্য বিনিময় করেন। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় গারদখানার সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

আদালতপাড়ায় মামুনকে দেখতে জড়ো হন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নূরুননাহার, রহিমা শরীফ মায়াসহ আরও অনেকে।

পরে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু এসে মহিলা দল নেত্রীদের নিবৃত্ত করেন।

অনুসন্ধান

পুরাতন খবর

এই বিষয়ের আরো খবর

© All rights reserved © 2017 ThemesBazar.Com

Desing & Developed BY লিমন কবির